৫০% ছাড়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন সাথে ফ্রীলান্সিং শিখুন , মাসে ৮ থেকে ৮০ হাজার টাকা আয় করুন।

৫০% ছাড়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন সাথে ফ্রীলান্সিং শিখুন , মাসে ৮ থেকে ৮০ হাজার টাকা আয় করুন।

গ্রাফিক্স ডিজাইন বর্তমান সময়ে একটি জনপ্রিয় পেশা। এ কাজটি একই সাথে আনন্দদায়ক এবং সৃজনশীল। যদি আপনার মাঝে থাকে ক্রিয়েটিভিটি,আত্ম প্রচেষ্টা আর নতুন কিছু করে দেখানোর প্রত্যয় আর স্বাধীনভাবে কাজ করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন নিজেকে। বিস্তৃত কর্মক্ষেত্র আর তুমুল চাহিদা থাকার কারণে একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনারের গ্রহণযোগ্যতা খুবই বেশি। গ্রাফিক্স ডিজাইনে আউটসোর্সিং বা প্রোডাক্ট বেইজড কাজ করতে হলে আপনাকে আন্তর্জাতিক মানের গ্রাফিক্স এর কাজ শিখতে হবে| নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের ডিজাইনার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে পাড়ি দিতে হবে দীর্ঘ পথ, জানতে হবে নিত্য-নতুন কলা-কৌশল।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

সহজ কথায় বললে গ্রাফিক্স ডিজাইন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে যে কোন তথ্য বা ছবি শৈল্পিক উপায়ে উপস্থাপন করা হয়। একজন ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে খুব সহজেই ব্যবহারকারির মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারেন এবং সংক্ষিপ্ত ও নান্দনিক উপায়ে তথ্য পৌঁছে দিতে পারেন।

কাজ শিখতে আপনার যা  জানতে হবেঃ

গ্রাফিক ডিজাইনার হওয়ার জন্য আপনাকে গ্র্যাজুয়েট হওয়ার প্রয়োজন নেই তবে ইংরেজিতে মোটামুটি দক্ষতা থাকলে অনেক ভালো করতে পারবেন। অনলাইনে ঘাঁটাঘাঁটি কিংবা বিদেশি বায়ারের সাথে যোগাযোগের জন্য ইংরেজি জানা একটি পূর্বশর্ত। এ ছাড়া কম্পিউটার অপারেট করা জানতে হবে অর্থাৎ বেসিক কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে খুবই ভালো হয়; তাহলে আপনি যে কোন বিষয়ে অনলাইন থেকে সাহায্য নিতে পারবেন। ডিজাইনের কাজের জন্য প্রয়োজন ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার যেমন অ্যাডোবি ফটোশপ, অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর প্রভৃতি। যদি আপনার মন হয়ে থাকে সৃজনশীল অর্থাৎ আপনার যদি আঁকাআঁকি করতে ভালো লাগে তাহলে সেটা অবশ্যই প্লাস পয়েন্ট।

গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্র

যে কোন পণ্য বা সার্ভিসের প্রচারণার জন্য দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের বিকল্প নেই। তাই ডিজাইনারকে কাজ করতে হয় মানুষের বয়স, আচার-আচরণ, পেশা, চাহিদা প্রভৃতি দিকগুলো বিবেচনা করে। আগেই বলা হয়েছে গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কাজের ক্ষেত্র বিস্তৃত।অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে মোটামুটি গ্রাফিক্সের সবধরনের কাজ পাওয়া যায়। তবে বিশেষভাবে যে কাজগুলোর চাহিদা অনেক বেশি, তা নিচে দেয়া হল……

১। লোগো ডিজাইন

২। ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন

৩। ওয়েবসাইট পিএসডি টেম্প্লেট ডিজাইন

৪। ওয়েব ব্যানার ডিজাইন

৫। বুক কভার ডিজাইন

৬। টি-শার্ট ডিজাইন

৭। পোস্ট কার্ড ডিজাইন

৮। বিজ্ঞাপন ডিজাইন

৯। আইকোন ডিজাইন

১০। ডিজিটাল ইমেজ প্রসেসিং

১১। ব্রুশিয়ার ডিজাইন

১২। মোবাইল অ্যাপ/ইউআই ডিজাইন ইত্যাদিসহ আরো অনেক কাজ পাওয়া যায়।

কোথায় জব/কাজ পাবেনঃ

– ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেস
– বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান
– পত্রিকা/ম্যাগাজিন/প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান
– অনলাইন মার্কেট প্লেইস
– প্রিন্টিং এবং ডিজাইনিং প্রতিষ্ঠান
– ওয়েব ডেভেলপিং প্রতিষ্ঠান

গ্রাফিক্স সম্পর্কিত আউটসোর্সিং কাজের ওয়েবসাইটঃ

গ্রাফিক্স প্রতিযোগীতাঃ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে সবাই ক্লাইন্টের চাহিদা অনুযায়ী ডিজাইন সাবমিটের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে এবং যে বিজয়ী হয়, সে ঐ প্রতিযোগিতার নির্ধারিত অর্থ পায়। এই ধরনের প্রতিযোগিতা হয় এমন উল্লেখ যোগ্য সাইট হচ্ছেঃ
www.99designs.com
www.freelancer.com/contest

ডিজাইন বিক্রিঃ আবার কিছু কিছু সাইট আছে, যেখানে আপনার তৈরি বিভিন্ন আইটেম আপলোড করে রাখবেন এবং সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। যেমনঃ
www.graphicriver.net
www.creativemarket.com
www.codegrape.com
www.designcrowd.com
www.freelancer.com/marketplace

বিড করে কাজ : আবার কিছু কিছু সাইট আছে, যেখানে ক্লাইন্টের জবে বিড করে কাজ করা যায়। যেমনঃ
www.upwork.com
www.freelancer.com
www.peopleperhour.com
www.guru.com

অন্যান্যঃ উপরে উল্লেখিত সাইট গুলো ছাড়াও আরও অনেক সাইট রয়েছে যেখান থেকেও প্রচুর গ্রাফিক্সের কাজ পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেঃ www.fiverr.com

যেসব বিষয়ে আপনাকে যত্নবান হতে হবেঃ

-> অবশ্যই ভালভাবে কাজ শেখা।
-> নিজে থেকে কিছু করার চেষ্টা করা (ক্রিয়েটিভিটি)
-> নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখা
-> প্রতিষ্ঠিত ডিজাইনারদের কাজ অনুসরণ করা
-> কাজের স্যাম্পল টেম্পলেট/ পোর্টফলিও তৈরি করে রাখা
-> নিজের মার্কেটিং করা

একজন  ডিজাইনার কেমন আয় করেন?

প্রতি মাসে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের আয় কত হতে পারে? এ সম্পর্কে ডিজাইনারদের বেতন নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ডিজাইনার স্যালারিজ-এর মতে, একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার প্রতি বছরে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করে ১ লাখ ডলার বা প্রায় ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারে। বাংলাদেশে গ্রাফিক্স ডিজাইনে ডিপ্লোমাধারীর বেতন মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। তবে ব্যাচেলর ফাইন আর্টসে ব্যাচেলর ডিগ্রিধারীদের বেতন মাসিক ৪০ হাজার টাকা থেকে ২লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।

এছাড়া অনলাইন মার্কেটপ্লেসে আপনি একটি লগো ডিজাইন করলে ৫০ থেকে শুরু করে ২ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। তবে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে এটি ৫ থেকে ১০ হাজার ডলার পর্যন্তও হতে পারে। একটি ওয়েবসাইটটের প্রথম পেজ ডিজাইন করার ক্ষেত্রে ৫০ ডলার থেকে শুরু করে ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। পূর্ণাঙ্গ একটি ওয়েবসাইটের ডিজাইন করে পাওয়া যায় ২শ থেকে ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত। ব্র্যান্ড অপটিমাইজেশন এবং ব্রশিউর তৈরির প্রজেক্টগুলোও ৩০০ থেকে ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে।

ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে মোট কাজের প্রায় ১৪% হল গ্রাফিক্স এবং মাল্টিমিডিয়ার কাজ, গতবছরে আয় বৃদ্ধির হার ছিল ৪৪%। ২০১২ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শুধুমাত্র ইল্যান্সেই গ্রাফিক্স রিলেটেড জব পোষ্ট হয়েছে ৯ লাখ ১৩হাজারেরও উপরে, এর পেছনে ব্যয় হয়েছে ৫ শত ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তাই ফ্রিল্যান্সার হতে চাওয়া তরুণ-তরুণীদের জন্যে অন্যতম পছন্দ হতে পারে এ ক্ষেত্রটি।

কাজ‌ শিখে ইনকাম শুরু করতে কতদিন সময় লাগতে পারে?

অনেকেই বলে থাকে আপনাকে সুপার এক্সপার্ট হয়ে তারপরে কাজে আসতে হবে। আমার পার্সোনাল লাইফের অভিজ্ঞতা বলে এটা সম্পূর্ণ ভুল একটি কথা।

আমি কখনো সুপার এক্সাপার্ট হয়ে এই ফিল্ডে আসি নাই। প্রকৃতপক্ষে আমি নিজেও এখনো একজন ছাত্র। প্রায় প্রতিটা প্রোজেক্ট করতে গিয়েই নতুন কিছু না কিছু শেখা হয়।

তবে হ্যা, আপনাকে কিন্তু একটা নির্দিষ্ট লেভেলে গিয়েই তারপরে কাজের কথা চিন্তা করতে হবে। এর জন্য আপনাকে প্রথমে কাজগুলো খুব ভালভাবে শিখতে হবে। মিনিমাম ১০ টা টেস্ট প্রোজেক্ট করতে হবে। এরপরে মিনিমাম ৫ টি ফ্রী কাজ অন্যকে করে দিতে হবে এবং তার ফিডব্যাক নিতে হবে।

যখন সে আপনার কাজের প্রশংসা করবে তখন বুঝবেন আপনি প্রোফশনাল কাজ করার জন্য প্রস্তুত। এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ১.৫ থেকে ২ মাস সময় লাগবে।

শিক্ষা চলাকালীন গাইড

প্রথমেই টাকা ইনকাম করার একটা রুলস বলে দেই-

First LEARN and then cut the “L”

অর্থাৎ, যদি আপনি EARN করতে চান তাহলে প্রথমে LEARN শব্দটিকে মাথায় ঢোকান, যখন আপনি LEARN করতে পারবেন তখন L E A R N থেকে প্রথম “L” অক্ষরটি নিজে নিজেই বাদ হয়ে যাবে এবং আপনার সেই LEARN তখন EARN এ কনভার্ট হয়ে যাবে।

এটা হচ্ছে মানি মেকিং এর প্রথম রুলস। সত্যি বলতে আমরা সবাই-ই তো শিখি, কিন্তু কতটুকু ভালভাবে শিখি সেটাই হচ্ছে বিষয়।

যে শিক্ষা আপনার ভেতরে কাজ করতে পারার কনফিডেন্স যোগাতে পারে না, সে শিক্ষা এখনো উপার্জন করার জন্য পর্যাপ্ত নয়

হ্যা ঠিক তাই। কনফিডেন্স ছাড়া শিক্ষা দিয়ে কিছুই হবে না। কিন্তু আমাদের সমস্যা হচ্ছে আমরা একটু শিখেই ওভার কনফিডেন্ট হয়ে পরি।

অল্প জ্ঞানের কনফিডেন্স, বিপদ আর অপমান দুটোই ডেকে নিয়ে আসে

আর আমাদের দেশের অধিকাংশ স্টুডেন্টদের ফ্রীল্যান্সিং এ ব্যর্থতার এটাই হচ্ছে সবচাইতে বড় কারন। আমরা সামান্য একটু শিখেই নিজেকে অনেক বড় ভাবতে থাকি যা আমাদের ভেতরে ওভার কনফিডেন্স জন্ম দেয়। এই বিষয়ে কিন্তু খুবই সতর্ক থাকতে হবে যেন কোন অবস্থাতেই আপনার ভেতরে কোনভাবেই

কাজ শেখার সময় নিজেকে সব সময় ছোট ভাবতে হবে। এটা অনেকের কাছে হাস্যকর মনে হলেও মানুষের স্বাভাবিক সাইকোলোজি এমনটাই বলে, নতুন কিছু শিখলে আমরা বেশী আনন্দিত হয়ে পরি, যা অনেকের ক্ষেত্রে বিপদ ডেকে আনে। তাই এ ব্যাপার খুব সাবধান থাকতে হবে।

আমাদের কোর্স ফী

বিশেষ অফারে  ৭,৫০০/- মাত্র কয়েক দিনের জন্য (আমাদের রেগুলার কোর্স ফী ১৫,০০০/-)

ক্লাসের সময়  

  • সকাল ১০ঃ৩০ মিঃ থেকে ১২:৩০ মিঃ
  • সন্ধ্যা  ০৬ঃ৩০ মিঃ থেকে ০৮ঃ৩০ মিঃ

স্টুডেন্টদের ইনকামের স্ক্রীন শর্টঃ 


আগ্রহী হলে রেজিষ্ট্রেশন করুনঃ https://goo.gl/xoJkzo
বিস্তারিত জানতেঃ ?01735927326, ?01966638663